অ্যামব্রক্স সিরাপ কি? অ্যামব্রক্স সিরাপের কার্যকারীতা

0
290
অ্যামব্রক্স সিরাপর

অ্যামব্রক্স একটি কাশির সিরাপ।এবং এই অ্যামব্রক্স সিরাপর বাংলাদেশে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস বাজার জাত করে থাকে। অ্যামব্রক্স সিরাপের গ্রুপ নাম অ্যামব্রক্সল হাইড্রোক্লোরিক (Ambroxol Hydrochloric)। অ্যামব্রক্স শুধু সিরাপ আকারে পাওয়া যায় না। ক্যাপসুল, ট্যাবলেট ও ড্রপ হিসাবেও অ্যামব্রক্স পাওয়া যায়। শিশুদের জন্য মূলত ড্রপটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

অ্যামব্রক্স সিরাপর এর নিদের্শনা

উৎপাদনশীল কাশি যেমন তামাক দ্রব্য সেবনের ফলে যে কাশি হয়, তীব্র কাশি সহ এবং দীর্ঘস্থায়ী মেয়াদের ব্রঙ্কাইটিস, ল্যারিঞ্জাইটিস, ফ্যারাংজাইটিস, সিনাসাইটিস এবং ভিস্কিড ম্যাকাস কাশির জন্য অ্যামব্রক্স সিরাপ সেবনের জন্য নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও অ্যাস্থমামেটিক ব্রঙ্কাইটিস, ব্রোন্টিচ্যাটাসিস, ক্রনিক নিউমোনিয়া সহ ব্রোঞ্চিয়াল হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট এবং কন্ঠনালীর ব্যাধি সহ গলার রোগ দূর করে। অনেকের কাশি হওয়ার কারনে কন্ঠস্বর ভেঙে যায় তাদের জন্য অ্যামব্রক্স সিরাপ সেবন যোগ্য।

Ambroxol Hydrochloric সেবন মাত্রা

# ০ থেকে ৬ মাসের শিশুর জন্য ০.৫ মিলি দিনে ২ বার করে সেবন যোগ্য।
# ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত ১ মিলি দিনে ২ বার করে সেবন যোগ্য।
# ১ থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত ১.২৫ মিলি দিনে ২ বার করে সেবন যোগ্য।
# ২ থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত ২.৫ মিলি দিনে ২ থেকে ৩ বার করে সেবন যোগ্য।
# ৫ থেকে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত ৫ মিলি বা ১ চামচ দিনে ২ থেকে ৩ বার সেবন যোগ্য।
# ১০ বছর বয়স এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ১০ মিলি বা ২ চামচ দিনে ৩ বার করে সেবন যোগ্য।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অ্যামব্রক্স সিরাপে তেম কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কিন্ত মাঝে মাঝে গ্যাষ্ট্রিক সমস্যা সহ পেতে ব্যথা হতে পারে। নাক মুখ চুলকাতে পারে মানে অ্যালার্জিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

সর্তকতা

অ্যামব্রক্স সিরাপ সেবনের পরে যদি কোন প্রকার তদ্রাছন্ন ভাব আসে তাহলে গাড়ি ও ভারি যন্ত্রপাতি চালনা থেকে বিরত থাকুন। তবে অ্যামব্রক্স সিরাপে এমন কোন সর্তকতা নিদের্শ পাওয়া যায় নি।

পরামর্শ

যে কোন মেডিসিন সেবনের পূর্বে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করে তার পরে মেডিসিন সেবন করুন।

প্যাকেট

অ্যামব্রক্স সিরাপ একটি প্যাকেট সহ প্লাস্টিকের বোতলে ১০০ মিলি হিসাবে বাজার জাত করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here