খাসির মাংস খেলে কি হয়? খাসির মাংসের কার্যকারীতা

0
117
খাসির মাংসের কার্যকারীতা

খাসি বা ছাগলের মাংসের একটা আলাদা স্বাদ আছে যা অন্য কোন মাংসে নেই। খাসির মাংস নরম হয় এবং চর্বি কম থাকে। খাসির মাংস সব ধর্মের মানুষ খেতে পারে। খাসির মাংসে পর্যাপ্ত পরিমানে আঁশ ও প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে চলুন খাসির মাংসের উপকারীতা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

খাসির মাংসের কার্যকারীতা

যাদের রক্তে কোলেস্টরেল বেশি এবং ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ ঝুঁকি আছে তাদের জন্য মাংস রান্নার পূর্বে চর্বি ও মাংস আলাদা করে নিন। রান্না করার সময় সবজি মিশিয়ে রান্না করুন, এতে উক্ত ঝুঁকি কম থাকবে।

গরুর, মহিষের মাংসের থেকে খাসির মাংসে একটু আলাদা ঘ্রাণ থাকে এবং আলাদা স্বাদ পাওয়া যায়। গরুর মাংসের তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর খাসির মাংস। খাসির মাংসে ক্যালরি, চর্বি ও কোলেস্টেরল মাত্রা কম তাই খাসির মাংস খেলে তেমন কোনো স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে না। অতএব, আপনি আপনার চাহিদা অনুযায়ী খাসির মাংস খেতে পারেন।

খাসির মাংসে সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে এবং পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। আর উপাদানগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। অহেতুক শরীরে ক্লান্তি ভাব ও শক্তি যোগান দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

গরু, মহিষের মাংস অতিরিক্ত খেলে কোষ্ঠকাঠিণ্যতা দেখা দেয়। বিশেষ করে বাচ্চাদের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। ফলে স্বাভাবিক ভাবে পায়খানা হয় না। কিন্তু খাসির মাংস খেলে কোষ্ঠকাঠিণ্যতা হয় না বরং পেটের শক্ত বর্জ বের করে দেয়।

প্রতি ১০০ গ্রাম খাসির মাংস থেকে ১২২ ক্যালরি, ২৩ গ্রাম প্রোটিন ও ২.৫৮ গ্রাম চর্বি পাওয়া যায়। এছাড়া রয়েছে উচ্চমাত্রার লৌহ, যা রক্তস্বল্পতা দূর করে।

খাসির পায়া মাহব দেহের ক্যালসিয়াম পূরণ করে থাকে। নিয়মিত খাসির পায়া অতিরিক্ত মসলা বিহীন রান্না করে খেলে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ হয়।

পরিমান মত খাসির মাংস খেলে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয় এবং চুল, দাঁত ও নখের রোগ প্রতিরোধ করে থাকে। সেই সাথে অনেক বেশি সুন্দর দেখায়। তবে মাংস খেয়ে দাঁতে বেঁধে গেলে কাঠি দিয়ে খিলান করা বন্ধ করতে হবে। কারন দাঁত খিলান করলে দাঁতে এনামেল ক্ষয় হয়ে যায়।

গরুর মাংস খেলে অনেকের এলার্জি সমস্যা হয় আবার অনেকের শারীরীক কিছু পরিবর্তণ দেখা যায়। আবার হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা গরুর মাংস খাই না। তাই খাসির মাংস খেলে এলার্জির কোন ভয় থাকে না।

হজম শক্তি বাড়াতে যে কোন খাবারে শাকসবজি ও আঁশ জাতীয় খাবার রাখা জরুরী। গরু, মহিষ এবং খাঁসির মাংসে ফাইবার বা আঁশের পরিমাণ টা একটু কম থাকে। এতে পরিপাক তন্ত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই মাংস খাবারের সময় অবশ্যয় পর্যাপ্ত সালাদ ও সবজি রাখতে হবে।

বিঃদ্রঃ নিয়মিত পোষ্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন সেই সাথে এই পোষ্টটি আপনার ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here