চিংড়ি খেলে কি হয়? চিংড়ির কিছু অজনা তথ্য

0
214
চিংড়ি খেলে কি হয়

অনেকেই বলে থাকেন চিংড়ি তো কোন মাছই না, আবার অনেকে বলে চিংড়ি খেলে কোন উপকার পাওয়া যায় না। আসলেই কথাটা টা সত্য যে চিংড়ি কোন মাছ নয়, চিংড়ি একটি পোঁকা তবে চিংড়ির অনেক উপকারীতা আছে যা আমাদের সকলের অজানা। চিংড়ি খেতে অনেকে খুব পছন্দ করে আবার অনেকের এলার্জি জনিত সমস্যা থাকার কারনে চিংড়ি খেতে পারে না। চিংড়ি সবত্র পাওয়া যায় বিভিন্ন খাবার আইটেম হিসাবে। কেউ ভর্তা করে খায়, কেউ ভূনা করে খায়, কেউ ভাজি করে আবার কেউ চপ বানিয়ে চিংড়ি খায়। চলুন চিংড়ির কিছু তথ্য জেনে আসি।

চিংড়ি মাছের মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৩% নিয়াসিন যা ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিনকে এনার্জিতে পরিবর্তন করে থাকে ফলে শরীরের ফ্যাট কমে যায়। আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় একমাত্র মোটা হয়ে যাওয়ার কারনে। তাই প্ররিমান মত চিংড়ি খেলে শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট জমতে পারে না।

থাইরয়েড সমস্যা দূর করতে চিংড়ি সহযোগীতা করে থাকে। চিংড়িতে ১০% কপার থাকে যা আমাদের শরীরের থাইরয়েড বা হরমোন সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। অনেকের হাত পা ঘামে হরমোন জনিত সমস্যা থাকার কারনে তারা কোন মেডিসিন সেবন না করে নিয়মিত চিংড়ি খেলে হাত পা ঘামা থেকে রেহায় পাওয়া যায়।

প্রতি ১০০গ্রাম চিংড়ি মাছে ১০ গ্রাম জিংক পাওয়া যায়। আর জিংক আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগ ও ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। অনেকের মুত্রনালতে ইনফেকশন থাকে এবং প্রস্রাব করতে গেলে জ্বালা ভাব হয়। তাই চিংড়ি মাছের ভর্তা খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

আমাদের শরীরে যে প্রোটিন প্রয়োজন হয় তা আমরা সঠিক ভাবে গ্রহন করতে পারি না। আর শরীরে প্রোটিনের অভাব হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় যেমন হাত পায়ের চামড়া ওঠা, নখ ফেঁটে যাওয়া, চুল খুষ্ক দেখা, চুল পড়ে যাওয়া সহ শরীরের ত্বক জড়িয়ে যায়। চিংড়ি মাছ থেকে প্রায় ৪২% প্রোটিন পাওয়া যায় যা আমাদের উক্ত সমস্যা গুলো রোধ করে।

অনেক সময় ত্বকের কোষে আঘাৎ বা জোড়ালো চাপ লাগলে সেখানে রক্ত জমাট বেধে কোষটি মারা যায় ফলে ক্যান্সার রোগ হতে পারে। চিংড়ি খেলে শরীরে এই আঘাৎ থেকে ক্যান্সার রোগ হওয়ার আশংকা দূর করে এবং মরা কোষটিকে স্বাভাবিক করে তোলে।

ম্যাগনেশিয়াম ডায়াবেটিস টাইপ-২ কে প্রতিহত করে। আর চিংড়িতে প্রায় ৮% ম্যাগনেশিয়াম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বেশ উপকারী।

অনেকেই চিংড়ি খেতে চাই কিন্ত এলার্জির সমস্যা থাকার কারনে খেতে পারে না। তাদের অবশ্যয় উচিৎ চিংড়ি থেকে দূরে থাকা। কারন চিংড়ি এমন একটি খাবার যা এলার্জির পক্ষে দারুন কাজ করে ফলে শরীরে চুলকানীর প্রকট বেড়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here