অবহেলার কারনে জ্বর থেকে হতে পারে আপনার মৃত্যু, এর সমাধান কি?

0
292

জ্বর হচ্ছে সবচেয়ে সাধারণ একটি রোগ। এই অতি সাধারণ রোগটা সম্পর্কে বেশিরভাগ মানুষেরই খুব একটা স্বচ্ছ ধারণা নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ জ্বর হলে খুব একটা গুরুত্ব দেন না এবং প্রায়ই দেখা যায় বাড়ির পাশের ওষুধের দোকান থেকে একপাতা নাপা কিনে এনে খাওয়া শুরু করে দেন ডাক্তারের সাথে কোনো রকম পরামর্শ ছাড়াই। ঠান্ডা বা জ্বর থেকে মুক্তি পাবার কৌশল আসলে জানা নেই কারো, যদিও এসব থেকে উপশমের অনেক ব্যবস্থাই জানে অনেকে। তাই বলে সেসব উপায় যে কাজে আসবেই এমনটাও বলা যায় না।

জ্বরের ধরনঃ

ভাইরাস ঘটিত জ্বর ৩ থেকে ৫ দিনের বেশি থাকে না। এই জ্বর মূলত ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর। জ্বর তীব্র হতে পারে। অর্থাৎ ১০২-১০৩ পর্যন্ত জ্বর থাকতে পারে। সঙ্গে খুব গলা ব্যথা, মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে আবার খুব গলা ব্যথা ও গায়ে র‌্যাশ বাড়তে পারে। হাড়ের গিটে গিটে ব্যথা হয়।

জ্বরের সঙ্গে নাক দিয়ে পানি পড়ে ও অল্প খুশখুশে খাশি থাকে। তবে খুব বেশি কফ হয় না ভাইরাল ফিভারের ক্ষেত্রে। জ্বর ১০৫ ডিগ্রির ওপর উঠে গেলে অনেক কাশি, পেটব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালা, বেশি বমি হলে, জ্বরের ঘোরে অসংলগ্ন আচরণ করলে বা অচেতনের মতো হলে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি।

করণীয়ঃ

প্রচুর ফল খাবেন, বিশেষ করে লেবু খেলে ভাল। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি ঠিক থাকে। এই জ্বরের চিকিৎসা খুব লক্ষণভিত্তিক। অর্থাৎ জ্বরের সঙ্গে আনুষাঙ্গিক যা যা সমস্যা থাকবে সেই অনুযায়ী ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। হাঁচি, কাশির সময় মুখে হাত দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আরও ভাল যদি মাস্ক ব্যবহার করা যায়। এতে জ্বরের ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা কিছুটা হলেও রোধ হয়। জ্বর হলে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে। নয়তো জিব শুকিয়ে যাবে। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাবে বা গাঢ় হয়ে যাবে। তাই জ্বর হলে দিনে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করুন।

জ্বর খুব বেশী হলে এবং এ টানা ৭দিনের বেশি হলে খুব দ্রুত চিকিৎসকের সরণাপন্ন হবেন।

বিঃদ্রঃ নিয়মিত পোষ্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন সেই সাথে এই পোষ্টটি আপনার ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here