কি করলে পেনিস শক্ত হয়, পেনিস শক্ত করার উপায় সমূহ

0
569
পেনিস শক্ত করার উপায়

প্রাচীন যুগ থেকে লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করার চেষ্টা করে আসছে মানুষ, কিন্তু লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন কোন ফলাফল পাওয়া যায় নি। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করা সম্ভব। বর্তমান বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বে হাজার হাজার পুরুষ লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যাতে ভোগেন, কিন্তু এটা কোন জটিল কোন সমস্যা বা রোগ নয়। আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন, আপনা-আপনি আপনার লিঙ্গ মোটা হতে বাধ্য। মুলত লিঙ্গ মোটা বা বড় হওয়া নির্ভর করে রক্তের চাপের উপর। আপনি ভেবে দেখুন, আপনার লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা আপনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন। তা হলো হস্তমৈথূন। এই হস্তমৈথূনের ফলে আপনার লিঙ্গের স্বাভাবিক রক্ত চাপ আর নেই। আসুন আজ আমরা এমন কিছু জানবো যা আপনার এই চিন্তা বা সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।

প্রথম ধাপঃ
প্রথমে আপনি মন স্তির করুন যে আপনার পেনিস বা লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে হবে। আপনি প্রতিদিন কিছু নিয়ম করে ব্যায়াম করুন। এতে আপনার শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যাবে। প্রোটিন যুক্ত খাবার খান, সেই সাথে সেক্স নিয়ে গবেষনা বা চিন্তা করা বাদ দিন। অযথা লিঙ্গ শক্ত করাতে যাবেন না এতে অনেকের বীর্যপাত হয়ে যাবে।

২য় ধাপঃ
সম্পূর্ণ ভাবে হস্তমৈথূন ছেড়ে দিন কারন হস্তমৈথূন করলে আপনার লিঙ্গের মাথা মোটা ও গোড়া চিকন হয়ে যাবে। ফলে আপনার লিঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থাতে থাকবে না। আপনার লিঙ্গ লাঠি বা লোহার মত শক্ত হতে পারবে না। বিষয়টি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন- আপনি যখন হস্তমৈথূন করেন তখন আপনার হাতের সম্পূর্ণ শক্তি আপনার লিঙ্গের উপরে পরে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষ সমূহ রক্ত চলাচল করতে বাধাগ্রস্থ হয়। আর এই কারনে সেই কোষ গুলো স্বাভাবিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এবং আপনার হাতের স্পর্শটা বেশি পড়ে আপনার পেনিসের মাথার দিকে যার ফলে শিরশির একটা ভাব অনুভুত হয়, এতে আপনার বীর্যপাত হয় কিন্তু আপনার পেনিসের গোড়ার দিকে কোন স্পর্শ পড়ে না বললেই চলে। ফলে গোড়ার দিকের কোষে কোন পান্স হয় না যার ফলে আপনার লিঙ্গ দান দিকে বা বাম দিকে বেঁকে যায়। তাই অযথা হস্তমৈথূন করা বাদ দিন, আপনার হাত আর আপনার সঙ্গীনীর যৌন এক জিনিস নয়, আকাশ আর পাতাল তফাৎ। তবে হ্যা, মাসে একবার হস্তমৈথুন তেমন কোন প্রভাব ফেলে না লিঙ্গের উপরে। আপনি চাইলে প্রতি মাসে একবার করতে পারেন।

৩য় ধাপঃ
প্রথমে আপনার লিঙ্গের গোড়ার দিকে আঙ্গুল দিয়ে ধরুন এরপর ঝাঁকাতে শুরু করুন। আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বৃদ্ধি করুন। লক্ষ্য করুন আপনার লিঙ্গ ষাঢ়ের মত দাড়িয়ে গেছে এবা থামুন। এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনার প্রচুর প্ররিমানে বীর্যপাত করতে ইচ্ছা জাগবে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করবেন না। অনেকেই ভাবে, “যা হয় হবে আগে বীর্যপাত কররি” এতে আপনার বিশাল ক্ষতি। আপনি আসছিলেন লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করে সবশেষ করে দিলেন। এমন টা করলে আপনার কোন উপকার হবে না। সাময়িক কষ্ট করুন আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ বার লিঙ্গ ঝাঁকাতে থাকুন। এতে আপনার লিঙ্গে প্রচুর রক্তচাপ বাড়বে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষগুলো স্বাভাবিক থাকবে।

৪র্থ ধাপঃ
আপনি মুদি দোকান থেকে একটি সতেজ ও রসালো পান পাতা কিনে আনুন। এর পরে একটি দেশী পাঁকা কলা খোঁসা ছাড়িয়ে ভর্তা করুন এবং পান পাতার যে কোন পিঠে লাগিয়ে দিন। বেশি পরিমানে লাগাবেন না, এখন আপনার লিঙ্গ হাত ঝাঁকানো শুরু করুন। আপনার লিঙ্গ দাড়িয়ে গেলে খুব ভালো ভাবে কলা লাগানো পান পাতা লিঙ্গের সাথে জড়িঁয়ে দিন। ২০ থেকে ৩০ মিনি পরে লিঙ্গ থেকে ছাঁড়িয়ে ফেলুন। এবং লিঙ্গটি টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন কিন্তু ধুবেন না। আপনার লিঙ্গের ত্বক একটু জড়িয়ে যাবে। এখন একটু লিঙ্গ ঞালকা ভাবে ঝাঁকানো শুরু করুন, এক মিনিট করে থামুন। বীর্যপাত কোন ভাবেইযেন না হয়, বীর্যপাত করলে সবশেষ।

৫ম ধাপঃ
দেশী খাটি মুধু কিনে রাখুন এবং দৈনিক রাত্রে ঘুমানোর পূর্বে ২০ থেকে ৩০ ফোটা মধু হাতের তালুতে নিয়ে লিঙ্গে মালিশ করুন। আপনার শিরশির ভাব হবে লিঙ্গে এবং অনেক গরম হয়ে যাবে। বীর্যপাতের কাছাকছি চলে আসুন এবং লিঙ্গ ছেড়ে দিন। দেখুন আপনার লিঙ্গ আপনা-আপনি ঝাকাঁচ্ছে এবং রক্তচাপ বাড়ছে। যদি আপনা-আপনি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে কিছু করার নেই কিন্তু বীর্যপাতের সময় আপনার লিঙ্গে হাত দিবেন না। যতটুকু বেড় হবার তা এমনিতেই বেড়িয়ে যাবে। তবে সর্বদা চেষ্টা করুন বীর্যপাত না করার এতে মধু আপনার লিঙ্গে খবি ভালো ভাবে কাজ করবে। আপনার লিঙ্গের কোষ গুলো ১০ থেকে ১৫ দিনে মধ্যে সতেজ ও স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

উপরোক্ত বিষয় গুলো অনেকে লক্ষ্য করে অনেক ভালো ফল পেয়েছে। তাই আপনি নিয়মিত ১ম ধাপ থেকে ৫ম ধাপ পর্যন্ত লক্ষ্য করুন এবং তা কাজে লাগান। খুব অল্প সময়ে দেখবেন আপনার পেনিস বা লিঙ্গ লৌহের মত শক্ত ও মোটা হয়ে যাবে। মনে রাখবেন, আপনার লিঙ্গ যতটা সুস্থ্য হবে আপনি সেক্স করে তার থেকেও তৃপ্তি পাবেন। অকাল বীর্যপাত বন্ধ করুন, যেখানে সেখানে লিঙ্গ দাড় করাবেন না।

বিঃদ্রঃ নিয়মিত পোষ্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন সেই সাথে এই পোষ্টটি আপনার ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here