প্যারাসিটামল এর ক্ষতিকারক দিক গুলো জেনে তার পরে সেবন করুন

0
177
প্যারাসিটামল

আমরা সাধারন জনগন সবসময় একটা কথায় বলি, মাথা ব্যথা হলে প্যারাসিটামল খেতে হবে, জ্বর হলে প্যারাসিটামল খেতে হবে আবার কোথাও কেটে গেলেও প্যারাসিটামল খেতে হবে। মাইগ্রেন ব্যথা, সামান্য মাথা ব্যথা, একটু শরীর গরম কিংবা শারীরিক কোন ব্যথা হলে প্যারাসিটামল সেবন করি। আসলে কি আপনি জানেন এই প্যারাসিটামল খাওয়ার ক্ষতিকারক দিক গুলো? ক্ষতিকারক দিক গুলো জেনেই তারপরে আপনি যে কোন ঔষধ সেবন করুন।

প্যারাসিটামলের প্বার্শপ্রতিক্রিয়াঃ
১) নিয়মিত নাপা খেলে স্টমাক ব্লীডিং হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
২) প্যারাসিটামল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন হলেও অধিক সেবন করলে যকৃতের ক্ষতি হতে পারে।
৩) গর্ভবতী মহিলা ও দুগ্ধবতী মায়েদের ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৪) যারা নিয়মিত নাপা খায় তাদের ব্লাড ক্যান্সার হবার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।
৫) শরীরের ত্বক লাল ফুসকুঁড়ি এবং অন্যান্য এলার্জি প্রতিক্রিয়া মাঝে মাঝে হয়।
৬) অ্যালকোহল সেবন বা আসক্ত থাকলে চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া এই ঔষধ সেবন করা যাবে না।
৭) পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমানে প্যারাসিটামল গ্রহণ করা উচিত নয়, বেশি গ্রহণ করলে কিডনি ও লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।
৮) পাকস্থলীতে ব্যথা ,অতিরিক্ত ঘাম, বমি বমি ভাব, বমি করা, ডায়রিয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে প্যারাসিটামল সেবন বন্ধ করতে হবে।
৯) প্যারাসিটামল বেশি খেলে রোগী অস্থির হয়ে যাবে, কোনো কিছুই ঠিকমতো করতে পারবে না, আচার-আচরণ ছন্নছাড়া হয়ে যাবে এবং প্রচুর ঘাম হবে।
১০) শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি না হওয়া পর্যন্ত প্যারাসিটামল না খাওয়াই ভাল, তিন দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এর পরেও একই অবস্থা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করুন।

উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে চলা সবার ক্ষেত্রে উচিত বলে মনে করা হয়। কারন সকল প্রকার ঔষধ চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করা উচিৎ। মনে রাখবেন, মানব দেহের জন্য সকল প্রকার ঔষধই কিছু না কিছু ক্ষতিকর। তবে এমন নয় যে আপনি ঔষধ খাবেন না, বেচেঁ থাকার জন্য ঔষধ সবার প্রয়োজন আছে।

বিঃদ্রঃ নিয়মিত পোষ্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন সেই সাথে এই পোষ্টটি আপনার ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here