ফেনাডিন ১২০ এর কার্যকারিতা, ফেনাডিন ট্যাবলেট এর কাজ কি?

0
399
ফেক্সোফেনাডিন

ফেনাডিন ট্যাবলেট সারা বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত হয় সেই সাথে বাংলাদেশে এর প্রচলন খুব বেশি। ফেনাডিন বিভিন্ন ভাবে বাজারজাত করা হয় যেমন, ট্যাবলেট, সিরাপ ও ওয়েন্টমেন্ট বা ক্রিম ভাবে। এই মেডিসিনটি বাংলাদেশের সব গুলো ফার্মাসিউটিক্যালস বাজারজাত করে থাকে। উল্লেখযোগ্য হিসাবে স্কয়ার, রেনেটা, ইবনেসিনা সহ বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল। নিম্নে ফেনাডিন সর্ম্পকে আলোচনা করা হলো-

পরিমানঃ
ফেনাডিন মূলত ৬০, ১২০ ও ১৮০ মিলিগ্রাম হিসাবে পাওয়া যায়।যা প্রতিটি ট্যাবলেটটিতে ফেক্সোফেনডাইন হাইড্রোক্লোরাইড ৬০, ১২০ ও ১৮০ মিলিগ্রাম থাকে।

নির্দেশনাঃ
বিভিন্ন ধরনের এলার্জি, চর্মরোগ, চামড়ার প্রদাহ, খসখসে ত্বক সহ শরীরের উপরিভাগের চিকিৎসাতে ব্যবহার বা সেবন যোগ্য।

সেবন বিধিঃ
প্যাকেটের গায়ে দেখুন এবং অবশ্যয় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন যোগ্য।

পার্শপ্রতিক্রিয়াঃ
সংক্রমণ ঠান্ডা, ফ্লু, বমি বমি ভাব, ডায়মনোমেরিয়া, ক্লান্তি, মাথা ব্যাথা এবং গলা জ্বালা হতে পারে।

করনীয়ঃ
কোনো ফল বা জুসের সঙ্গে গ্রহণ বা সেবন করবেন না। গর্ভাবস্থা এবং ছয় বছরের কম শিশু, যকৃতের বা কিডনি সমস্যা বা হৃদরোগ আছে তাহলে ফেনাডিন সেবন করবেন না। ফেনাডিন সেবনের পর তন্দ্রা অনুভব, মাথা ঘোরা, হাইপোটেনশন বা মাথা ব্যাথার মত পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হলে তাহলে গাড়ী চালনা বা ভারী যন্ত্রপাতি চালানো থেকে বিরত থাকুন। যদি ঔষধ খাওয়ার পর তন্দ্রাভাব, মাথা ঘোরা বা রক্তচাপ কমে যায় তাহলে ফেনাডিন সেবন কার উচিত নয়। অতিরিক্ত ফেনাডিন সেবনে আপনার রোগের উন্নতি হবে না বরং তার থেকে বিষক্রিয়া বা গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করে তার পরে ফেনাডন সেবন করুন।

বিঃদ্রঃ নিয়মিত পোষ্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজটি লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন সেই সাথে এই পোষ্টটি আপনার ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here