কি করলে বীর্য ঘন হয়, বীর্য বৃদ্ধি করার উপায়

0
991
কি করলে বীর্য ঘন হয়

বীর্য পাতলা হলে যৌন মিলনের সময় খুব দ্রুত বীর্য পাত হয়। আর এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনমালিণ্য সৃষ্টি হয়। পুরুষদের মধ্যে প্রায় বেশি ভাগই বীর্য গাঢ় করার কথা ভাবে। কিভাবে যৌন মিলন কে আরো দীর্ঘ করা যায় এই রকম হাজারো প্রশ্নের উত্তর অনেকে খুঁজে থাকেন। চলুন জেনে নেয়া যাক বীর্য বৃদ্ধি ও ঘন করার কিছু পদ্ধতি যা আপনার যৌন জীবন থেকে সেক্স সমস্যা হতে মুক্তি দিবে।

বীর্য ঘন করার জন্য বিভিন্ন গাছ-গাছালীর গুনাবলী রয়েছে। উল্লেখ্য থাকে যে, আপনি যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিবেন। সব গুলোর চেষ্টা করবেন না। এতে আপনার সমস্যা হতে পারে।

কলমি শাকঃ

কলমি শাক আমরা প্রায় খায়। কলমি শাকের গুনাবলী ও পুষ্টিগুন অন্যান্য শাকের থেকে অনেক বেশি। কলমি শাকের রস ৩ চামচ এবং অশ্বদন্ধা মূলের গুড়া (কবিরাজী দোকানে পাওয়া যায়) দেড় গ্রাম গরুর এক কাপ দুধে মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর সময় একবার করে খেলে বীর্য ঘন হবে এবং স্বপ্নদোষও বন্ধ হবে।

রামতুলসীঃ

রামতুলসী পাতার রস ধ্বজভঙ্গের খুবই উপকারী। মাত্র দুই সপ্তাহ নিয়মিত খেলে রোগীর স্বাভাবিক যৌন ক্ষমতা ফিরে আসবে। রামতুলসীর পাতা রস করে সামান্য মধু মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর পূর্বে সেবন করলে যৌন দূর্বলতা দূর হবে এবং বীর্য পরিমান মত বৃদ্ধি ও ঘন হবে।

বেল ও বেল পাতাঃ

যৌবন উত্তেজনা উম্মচিত হয়ে তরুন যুবক কু-পথে চালিত হয়ে শুক্রক্ষয় করে থাকে। তিন থেকে চারটি বেলপাতা ভালো ভাবে বেটে তার রস আধা কাপ ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে শরীরে তীব্র কাম উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তবে বেলপাতা দীর্ঘদিন খাওয়া মোটেই উচিত নয়। দম্পত্য জীবনে বিপরীত ফলফলা দেখা দিতে পারে।

আলকুশীঃ

যৌবনে নানা প্রকার কু-অভ্যাসের ফলে অতিরিক্ত শুক্র ক্ষয়ের জন্যে মহামূল্যবান বীর্য তরল হয়ে যায়। আলকুশীর পাকা বীজ চার থেকে পাঁচটি রাতে এক কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে বীজগুলোর কোসা ছাড়িয়ে মিহি করে বেটে নিয়ে সামান্য গাওয়া ঘিয়ে বীজকে ভেজে নেয়া দরকার। তবে ভাজাটা খুব কড়াভাবে ভাজা চলবে না। ঠান্ডা হলে এক চামচ মিসরীগুড়া অথবা সমপরিমান চিনি মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে তরল বীর্য ঘন হয়ে যাবে। এটা অতি পরীক্ষীত পন্থা।

শিমুল মূল বা শতমুলীঃ

দেহে যৌবন আসার সাথে হস্তমৈথুনের ফলে বীর্য পাতলা হয়ে যায়। তাছাড়া সেক্স চিন্তা এবং পর্ণ দৃশ্য দেখে ঘুমের মধ্যে পাতলা বীর্য সহজেই বের হয়ে যায়। শতমূলীর রস ৫০ মিলি লিটার একটি স্টিলের পাত্রে রেখে তাতে ১০০ মি.লি লিটার গাওয়া ঘিয়ে দিয়ে আচে পাক করতে হবে। এ ঘি তিন গ্রাম আধা কাপ সামান্য গরম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে বিকেলে খেলে বীর্য গাঢ় হবে। এছাড়াও শিমুল মূল তাঁজা অবস্থাতে কাঁচা চিবিয়ে খেলে বীর্য বৃদ্ধি ও ঘন হয়। তবে নিজেকেও কিছুটা সংযত হতে হবে মানে হস্তমৈথুন, পর্ণ মুভি বা নারী দেহ নিয়ে চিন্তা করা দূর করতে হবে।

লতাকস্তুরীঃ

লতাকস্তুরী বীজের গুড়া দেড় গ্রাম, এক গ্লাস ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করলে ধীরে ধীরে শুক্র বেড়ে যায়। তবে নিয়মিত একমাস ধরে খাওয়া উচিত। অনেকের প্রসাবের আগে অথবা পরে প্রস্রাবের সাথে বীর্য বেরিয়ে আসে। এ অবস্থায় এ গাছের পাতা নিয়ে বেটে আধা পোয়া পানিতে চটকে ছেকে নিন। তারপর তাতে অল্প আখের গুর বা মধু মিশিয়ে শরবত করে খেলে বীর্য গাঢ় হবে।

গরুর মাংসঃ

গরুর মাংস সেক্স বৃদ্ধি ও বীর্য ঘাঢ় করতে অত্যান্ত কার্যকরী। প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন গরুর মাংস খাওয়ার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন গরুর মাংস খেলে অতিরিক্ত সেক্স বৃদ্ধি হতে পারে তাই যারা অবিবাহিত তারা সেক্স বৃদ্ধি হলে কখনোই হস্তমৈথুন করবেন না। কারন হস্তমৈথুন করলে আপনার বীর্য কখনোই ঘন ও বৃদ্ধি পাবে না। বরং উপকারের চেয়ে ক্ষতি হবে। গরুর মাংস খেলে পুরুষের ন্যায় নারীদের সেক্স উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তাই নারী পুরুষ উভয়ে মাষ্টারবেশন বা হস্তমৈথুন থেকে দূরে থাকুন।

বাদামঃ

বাদাম প্রাচীন যুগ থেকে বিভিন্ন যৌন রোগের জন্য বাবহৃত হয়ে আসছে। বাদাম একটি পুরুষকে যে পরিমান বীর্য বৃদ্ধি ও ঘন করতে সাহায্য করে তা অন্য কোন খাবারে নেই। তাই বিকেল বেলা নিয়মিত বাদাম খেলে প্রচুর পরিমানে বীর্য বৃদ্ধি ও ঘন হয়। বীর্যথলী পরিপূর্ণ থাকলে সেই পুরুষের শক্তি ও উদ্দ্যম স্বাভাবিক থাকে। তাই নিজেকে সুঠাম, শক্তিশালী সহ বীর্য বৃদ্ধি করতে বাদামের কোন তুলনা নেই।

ডামিয়ানা হোমিও মেডিসিনঃ

ডামিয়ানা শুধু মাত্র তাদের সেবন করা উচিৎ যারা নিজের যৌবনকে নষ্ট করে ফেলেছেন। বিয়ে করতে ভয় পাওয়া, বীর্য তরল হয়ে যাওয়া সহ সেক্স বিষয়ক সমস্যাতে ডামিয়ানা বেশ সুফল দায়ক। তাই একজন হোমিও চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পরামর্শ গ্রহণ করে ডামিয়ানা সেবন করলে বীর্য বৃদ্ধি ও ঘন হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here